শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত সেমিপাকা বসতঘর, শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও বাইসাইকেল বিতরন যশোরের নাভারণে ভেজাল শিশু খাদ্যসহ কারখানা মালিক আটক ভোলা ফাতেমা খানম কলেজের ছাত্র সবুজের অপারেশনের দায়িত্ব নিলেন-এমপি মুকুল। ২০ শে অক্টোবর সারা দিন মোরগ মার্কায় ভোট চেয়েছেন ৪নং ওয়ার্ডের-হুমায়ূন কবির। শার্শায় ৫ দফা দাবিতে ফার্মাসিউটিক্যালস রিপ্রেজেন্টটেটিভ এ্যাসোসিয়েশনের মানববন্ধন রাজশাহীর বাঘায় ‘বাঘা ব্লাড ব্যাংকের ‘ মাস্ক বিতরন। বগুড়ার আদমদীঘিতে ২ টি হোটেলে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান! কচুয়া সরকারী শহীদ শেখ আবু নাসের মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দলীয় মনোনয়ন নিয়ে এবারো আশাবাদী মেয়র শাহনেওয়াজ বরিশালের বানারীপাড়ায় গরুর ফার্মে পরিকল্পিত চুরি।। বিদেশী জাতের ৬ টি গাভী চুরি।।
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ১২:৩৫ অপরাহ্ন
Notice :
ডোমেইন হোস্টিং সহ মাত্র 5 হাজার টাকায় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ওয়েবসাইট বানান।আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু, Our Bd It তে আপনাকে স্বাগতম। আপনি কি সাংবাদিক? নিজের একটা অনলাইন নিউজ পোর্টাল ওয়েবসাইট বানাতে চান? তাহলে আপনি ঠিক জায়গাতেই এসেছেন।Our Bd It আপনার চাহিদা মোতাবেক অনলাইন নিউজ পোর্টাল ওয়েবসাইট বানিয়ে দিবে। Our Bd It শুধু অনলাইন নিউজ পোর্টাল ওয়েবসাইট বানিয়েই দায়িত্ব শেষ করে ফেলে না, সব সময় আপনার বন্ধুর মত আপনার পাশে থাকবে ইন শা আল্লাহ।আরো বিস্তারিত জানতে Our BD It এর ফেসবুক পেজে মেসেজ দিন।Our BD It এর ফেসবুক পেইজ লিংক https://facebook.com/ourbdit.official

বিস্তারিত জানতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন।

করোনা ভাইরাসের উৎপত্তি ও কিছু কথা

রিপোটারের নাম / ২০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২০
inbound2481918783342415592

বিস্তারিত জানতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন।

কেমন করে যে কি হয়ে গেল । হঠাৎ করেই পৃথিবীটা স্থবির হয়ে গেল , অর্থনীতি অচল হয়ে গেল , জনজীবন থমকে গেল , সমগ্ৰ পৃথিবীজুড়ে নেমে আসলো ভয়াবহ এক শূন্যতা , – এই বিষয়গুলো কি কেউ কখনো ভেবেছিল ? ক্ষুদ্র এক ভাইরাস কতোটা বেকায়দায় ফেলে দিয়েছে পুরো মানব জাতিকে ! নিমিষেই কেড়ে নিয়ে গেল প্রায় সাড়ে চার লক্ষ প্রাণ । সময় যতোই গড়াচ্ছে ততোই দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি । আক্রান্ত হচ্ছে অগণিত অসংখ্য মানুষ ।

বিশ্বজুড়ে এই মহাত্রাসের শেষ আসলে কোথায় ? কেনোই বা এর উৎপত্তি আর কেনোই বা এত কিছু ? এর জন্য দায়ী আসলে কারা ? করোনা ভাইরাসের উৎপত্তি আসলে কোথায় ?

একেক জন একেক যুক্তি দেখাবেন । কেউ বলবেন এটি সামুদ্রিক মাছ থেকে এসেছে , কেউ বলবেন বাদুরের কথা অথবা বন্য প্রাণীর কথা , কেউ আবার বলবেন যে এটি প্রকৃতি থেকেই ছড়িয়েছে । করোনা ভাইরাসের এই উৎপত্তির বিষয় নিয়ে মিডিয়া একেক সময় একেক সংবাদ ছড়িয়েছে । আর মানুষও কোন প্রকার বাছ বিচার না করেই এগুলো বিশ্বাস করেছে ।

স্বয়ং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিজে এই বিষয়গুলো নিয়ে সবচেয়ে বেশী ধোঁয়াশা ছড়িয়েছে । কোন প্রকার তথ্য প্রমাণ ছাড়াই সার্টিফিকেট দিয়ে দিয়েছে যে , করোনা প্রাকৃতিক ভাবেই ছড়িয়েছে ।

যদিও প্রমাণ ছাড়া কোন কিছুই বলা যায় না । কিন্তু আমরা যদি সাধারন দৃষ্টিকোণ থেকে একটু পর্যালোচনা করে দেখি তবে এ বিষয়ে নিয়ে যথেষ্ঠ সন্দেহ দানা বাঁধে ।
চীনে সর্বপ্রথম যখন করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পরে, তখন চীন সরকার ওহানসহ পুরো হুবেই প্রদেশকে কঠোরভাবে লকডাউন করে রাখে ।

চীনের অন্যান্য প্রদেশের থেকে এই প্রদেশটি ছিল কার্যত বিচ্ছিন্ন । এই প্রদেশ থেকে কেউ অন্য প্রদেশে যাতায়াত নিষিদ্ধ ছিল । অথচ পুরো বিশ্বের সাথে চীনের ওহান শহরের যোগাযোগ ছিল সচল ।

আন্তর্জাতিক সকল ফ্লাইট চালু ছিল । চীন সরকার সমগ্ৰ চীন থেকে ওহানে বিচ্ছিন্ন রাখলেও অন্যান্য দেশের সাথে কেন যোগাযোগ বন্ধ করেনি ? কিছু কিছু দেশ সেখান থেকে স্বেচ্ছায় নিজেদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ আরো কয়েকটি দেশ তাতে অস্বীকৃতি জানায় । তাদের এমন পদক্ষেপকে তখন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘অমানবিকতা সুলভ’ বলে আখ্যায়িত করেছিল ।
ঘটনার শেষ এখানেই নয় । চীন থেকে করোনা যখন ইউরোপে গিয়ে ঘাঁটি গাড়লো , মৃত্যু হার তুমুল ভাবে বাড়তে শুরু করলো । ঠিক তখনই চীন নিজেকে করোনা মুক্ত ঘোষনা করলো । চীনে মৃত্যুর হার শুণ্যের কোটায় নেমে এলো ! প্রায় এক লক্ষ মানুষ হঠাৎ করেই সুস্থ হয়ে উঠলো ! কিভাবে কি হলো বিশ্ববাসী তার কিছুই বুঝতে পারলো না । চীন হয়ে গেল করোনা মোকাবেলায় রোল মডেল আর তাদের চিকিৎসকরা হয়েছে জাতীয় বীর !
বিষয়টা এমন হলো যে , রাতারাতি তারা আলাদিনের চেরাগ পেলো আর তা দিয়ে সবাই ভালো হয়ে গেল । বিশ্ববাসী এ নিয়ে কোন প্রশ্নই তুললো না ! সবাই ভেবেছিল এইতো কিছুদিন পর সব ঠিক হয়ে যাবে । কিন্তু সেই মৃত্যুর মিছিল আজও থামেনি । কতো মানুষ যে স্বজনহারা হয়েছে । কতো সন্তান যে তাদের পিতা- মাতা হারিয়েছে । তার হিসাব কি কেউ রেখেছে ? বেঁচে থাকা মানুষগুলোকে এই প্রলয় কতটুকু সজাগ করতে পেরেছে ?
করোনা যখন ইউরোপ থেকে আমেরিকায় গেল , তখন খল-মোড়লদের টনক নড়লো । তারা প্রকাশ্যে অভিযোগ করা শুরু করলো , করোনা ভাইরাস চীনের ল্যাবে তৈরী হয়েছে । মার্কিন প্রেসিডেন্ট তো প্রকাশ্য প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রতিনিয়তই এমন বলেছেন । সাংবাদিকদের প্রশ্নবানে জর্জরিত হয়েছেন তিনি । অথচ বিশ্ববাসী তার এই কথাগুলো নিয়ে উপহাস করেছে । আমাদের দেশে তো এমন কথা কেউ বিশ্বাস করতেই চায় না । বলে যে , ভাইরাস আবার বানায় কিভাবে ? বলি, বর্তমান পৃথিবীতে যতো ভয়ঙ্কর দুরারোগ্য রোগ আছে তার বেশীর ভাগই মানব সৃষ্ট । কলেরা , প্লেগ , গুটি বসন্ত ,এইডস , ইবোলা এই সবকিছুই মানবসৃষ্ট । এটি এখন সর্বজনবিদিত । আমরা সম্ভবত ইতিহাসের বাস্তবতাগুলো জানি না । তাই এমন ষড়যন্ত্র তত্ত্ব শুনলে তা আমাদের কাছে আজব লাগে ।
করোনা ভাইরাস হচ্ছে sars গোত্রের একটি ভাইরাস । ঠিক এমন প্রজাতির আরো দুটি ভাইরাস চীনের ওহানে ২০০৩ ও ২০১২ সালে সংক্রমিত হয়েছিল । তাছাড়া চীনের একমাত্র ভাইরাস গবেষনা ল্যাব ‘ ওহান ইন্সটিচিউড অব ভাইরোলজি ‘ চীনের ওহানেই অবস্থিত । এখন প্রশ্ন হচ্ছে যে , বারবার কেন চীনে ভাইরাস ছড়ায় ? তাও আবার শুধু ওহান প্রদেশেই ? তাছাড়া একই গোত্রের ভাইরাসটি বারবার চড়াচ্ছে । বিষয়গুলো একটু চিন্তা করলেই পরিষ্কার হয়ে যায় যে , দীর্ঘদিন ধরে এই ভাইরাসটি নিয়ে গবেষনা করছে চীন । আর সেখান থেকেই হতে পারে ভূল বসত নয়তো ইচ্ছাকৃত ও সুপরিকল্পিতভাবে ছড়ানো হয়েছে করোনা ভাইরাস । ভাইরাস বানানোর বিষয়টি যদিও পুরোপুরি পরিষ্কার নয় । কিন্তু চীন সরকার কর্তৃক তথ্য গোপনের বিষয়টি সুনিশ্চিত । আগষ্ট থেকেই চীনে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি ছিল বলে ইতোমধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে । মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র , ব্রিটেন ও জার্মানিসহ বিশ্বের প্রায় পঁচিশটিরও বেশী দেশ চীনের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে ভাইরাস ছড়ানোর অভিযোগ করেছে ।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন , ‘চীন সরকার সচেতনভাবেই করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে থাকতে পারে ।’ তিনি এটিকে শুরু থেকেই চাইনিজ ভাইরাস এবং সর্বশেষ ওহান ভাইরাস নামেও অভিহিত করেছেন । তাছাড়া ‘ওহানের গবেষণাগারে ভাইরাস তৈরী হয়েছে ‘ এই মর্মে তার কাছে যথেষ্ঠ প্রমাণ আছে বলে দাবী করেন । তাছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা ও প্রতিনিয়ত চীনের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙ্গুল তুলছে যুক্তরাষ্ট্র । তাদের এমন কর্মকান্ড গুলোকে অনেকেই বিদ্বেষমূলক অথবা করোনায় বিপর্যস্ত মার্কিন সরকারের অন্যের ঘাড়ে দায় চাপানোর অপচেষ্টা হিসেবে মনে করে । কিন্তু এই অভিযোগ গুলোর বিপরীতে চীন সরকারও কোন বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ হাজির করতে পারেনি । আর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কোন প্রকার ইনভেস্টিগেশন ছাড়াই অন্ধভাবে চীনের পক্ষে সাফাই গেয়েছে । শুধু তাই নয় , এই মর্মে সার্টিফিকেটও প্রদান করে ফেলেছে যে, করোনা ভাইরাসের উৎপত্তি প্রাকৃতিক ভাবেই ।
বিশেষ করে এর পক্ষে তারা জেনম সিকুয়েন্সের বিষয়টি হাজির করে বলছেন যে , এটি কৃত্তিম নয় । অথচ জেনম বৈশিষ্ট এখানে মু্খ্য বিষয় নয় । সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে ভাইরাসটি কিভাবে ছড়িয়েছে ? কোন যায়গা থেকে ছড়িয়েছে ? একটি ভাইরাসকে প্রকৃতি থেকে সংগ্ৰহ করে তা ল্যাবে নিয়ে গবেষনার সময়ও তো ছড়িয়ে থাকতে পারে । তাছাড়া এর পেছনে চীন সরকারের কোন যোগসূত্র আছে কিনা অথবা করোনা নিয়ে চীন সরকারের তথ্য লুকোচুরি ও অন্যান্য সন্দেহজনক কর্মকান্ড নিয়েও এখন পর্যন্ত কোন প্রশ্নই তোলেনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা । করোনা ভাইরাস ইস্যুতে সংস্থাটি কোন কার্যকর কিছু করতে না পারলেও চীনের মুখপাত্রের ভূমিকায় সংস্থাটিকে যথেষ্ঠ সরব থাকতে দেখা যায় । এসব কর্মকান্ড থেকে একজন মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই এমন কথা উদয় হয় যে , তবে কি এর পেছনে রয়েছে কোন সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র ?
প্রাথমিকভাবে এই বিষয়টি যথেষ্ঠ বিভ্রান্তিকর মনে হবে । কিন্তু আমরা যদি অতীত মহামারী গুলোর ইতিহাস পর্যবেক্ষন করি তবে এই বিষয়টিও পরিষ্কার হয়ে যাবে । মানুষের অস্তিত্বের সবচেয়ে বড় হুমকি মানুষ নিজেই । এই জাতিটি যেমন সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব, তেমনি পশুর চেয়ে তারা হতে পারে আরো অধম । আজকের নিউজেই আমরা দেখেছি যে , ৭০০০ টাকা দিলেই পাওয়া যায় করোনা নিগেটিভ সার্টিফিকেইট ! ঢাকা মেডিকেলে করোনায় মৃত রোগীর লাশ ছাড়াতেও লাগে ৫০০০ টাকা ! একবার চিন্তা করুন তো , যারা এসব কর্মকান্ড ঘটাচ্ছে তারাও তো মানুষ ! সুতরাং এটিও অবিশ্বাস্য নয় যে , করোনা ভাইরাসও মানুষ তৈরী করেছে ।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে , চীন কেন করোনা ভাইরাস তৈরী করতে যাবে ? এতে তাদের স্বার্থ কি ? খুবই স্পষ্ট বিষয় । বিশ্বজুড়ে চীনের ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক সাম্রাজ্যবাদ , গণতন্ত্র ও পুঁজিবাদ বিরোধী চেতনা , সমাজতন্ত্রের আধিপত্য প্রতিষ্ঠাই হচ্ছে মূল লক্ষ । তাছাড়া এটিকে সমাজতন্ত্র ও পুঁজিবাদের মধ্য এক অদৃশ্য লড়াই বলা যেতে পারে । চীন , উত্তর কোরিয়া , কিউবা এই তিনটি রাষ্ট্রের কোন দেশেই ভাইরাস নেই ! কিউবা ও উত্তর কোরিয়ায় এখন পর্যন্ত কোন মানুষই আক্রান্ত হয়নি এবং মারাও যায়নি ! অথচ জনপদের পর জনপদ বিধ্বস্ত করে, ইউরোপ আমেরিকা মৃত্যুপুরী বানিয়ে , এখন ঘাটি গাড়ছে দক্ষিণ এশিয়ায় ।
যদিও এ ভাইরাসের উৎপত্তির বিষয়ে এখনো আমরা স্পষ্টভাবে কিছুই জানিনা । কিভাবে এটি ছড়িয়েছে অথবা কে বা কারা এর সাথে জড়িত তা নিশ্চিত করে এখনই বলা যাচ্ছে না । কিন্তু ‘ সত্য’ এই শব্দটির একটি বৈশিষ্ট আছে । এটি কখনো ধামাচাপা দিয়ে রাখা যায় না । শত চেষ্টা করেও এর শেকড় উপড়ে ফেলা যায় না । আল্লাহ’র ইচ্ছায় ইতিহাসে সত্যের ঠাঁই হয় আপনাতেই ।

মো. আরাফাত রহমান
মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগ ।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ।

বিস্তারিত জানতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বিস্তারিত জানতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন।

বিস্তারিত জানতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন।