• Uncategorized

    দ্রুত সেশনজট থেকে মুক্তি চান শিক্ষার্থীরা,৬ জুন সিদ্ধান্তের আশ্বাস প্রশাসনের

      প্রতিনিধি ২৭ মে ২০২১ , ৮:৪৫:০৬ প্রিন্ট সংস্করণ

    নোবিপ্রবি প্রতিনিধি:

    আপনি কি সাংবাদিক? বাজেটের মাঝে প্রফেশনাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল বানাতে চাচ্ছেন? তাহলে Coder Boss হতে পারে আপনার গর্বিত সহযোগী। বাজেটের মাঝেই প্রফেশনাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল বানাতে যোগাযোগ করুন Coder Boss এর সাথে।   Coder Boss এর ফেসবুক পেইজ লিংকঃ https://facebook.com/CoderBossBD

    করোনাকালে আটকে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিস্টার পরীক্ষাগুলোর বিষয়ে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিবর্গের দ্রুত সিদ্ধান্ত চান নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা।

    বেশিকিছু দিনে যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে আটকে থাকা পরীক্ষাসমূহ এবং বিশ্ববিদ্যালয় খোলা নিয়ে সরব প্রতিবাদমুখর নোবিপ্রবি শিক্ষার্থী। তাদের মতে, দীর্ঘ ১৫ মাস যাবত করোনা পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় আটকে রয়েছে সকল বিভাগের নিয়মিত পরীক্ষাসমূহ। এতে করে ভয়াবহ সেশনজটের পাশাপাশি অনিশ্চিত শিক্ষাজীবনে সম্মুখীন হবে শিক্ষার্থীরা।

    শিক্ষার্থীদের দাবি, হাট- বাজার, শিল্প – কলকারখানা, গণপরিবহন সহ দেশের সবকিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা থাকলেও বন্ধ রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। দীর্ঘ ১৫ মাস ধরে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে নোবিপ্রবি প্রশাসন। কিন্তু, দফায় দফায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর বন্ধের মেয়াদ বৃদ্ধি করায় অনলাইনে শেষ করা সেমিষ্টারগুলোর নিয়মিত পরীক্ষাসমূহ নেওয়া সম্ভব হয়নি। এতে করে নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা পড়েছেন বিপাকে। পরীক্ষাসমূহ না হওয়ায় ভয়াবহ সেশনজটের আশংকা করছেন অনেক নোবিপ্রবি শিক্ষার্থী।অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয় খোলা সহ কদিন আগে সাত দফা দাবি নিয়ে মানববন্ধনও করেন নোবিপ্রবির সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

    নোবিপ্রবি ২০১৯- ২০ সেশনের শিক্ষার্থী ফাতেমা জান্নাত রিন্তি বলেন, “প্রায় দেড় বছর হতে চলেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। ইতিমধ্যে যেখানে তিন সেমিস্টার শেষ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল সেখানে একটা সেমিস্টারের পরীক্ষাই এখনো হয় নি। একটা অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছি আমরা সবাই। এই অবস্থায় যত দ্রুত সম্ভব পরীক্ষা নিয়ে নেয়ার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের এগিয়ে আসা উচিত। কেননা এই অবস্থা একদিকে যেমন মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত করছে শিক্ষার্থীদের অন্যদিকে একটা অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকেও ঠেলে দিচ্ছে।”

    এ বিষয়ে বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শুভেন্দু সাহা বলেন, পরীক্ষার নেওয়ার স্বার্থে হলেও বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া হোক।প্রয়োজনে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষার হলে
    মাস্ক,হ্যান্ডস্যানিটাইজার সহ অন্যান্য স্বাস্থ্য সামগ্রী বাধ্যতামূলক করে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হলে শিক্ষার্থীদের দূর্দশা কমানো যাবে।
    এক্ষেত্রে ফ্যাকাল্টি, ব্যাচ আলাদাভাবে পর্যায়ক্রমে পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে।

    তিনি আরও বলেন,যেখানে গার্মেন্টস কর্মীদের থেকে শিক্ষার্থীরা বেশি স্বাস্থ্য সচেতন সেখানে তাদের ক্ষেত্রে কেনো উল্টো নিয়ম হবে?
    এর আগে পরীক্ষার জন্য প্রশাসন যে ব্যবস্থা নিয়ে ছিলো তখন যেহেতু কোনো বড় ধরনের ক্ষতির আশংকা করা যায়নি তাই পুনরায় সিদ্ধান্ত নিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে দাবি জানান।

    শিক্ষা প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জি এম রাকিবুল ইসলাম বলেন, সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়াটা জরুরি।সেক্ষেত্রে সেটি অনলাইনে মাধ্যমে হোক বা সশরীরে এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। অ্যাসাইনমেন্ট অথবা মোবাইল ইন্টারভিউ বা অন্য কোনো মাধ্যমেও পরীক্ষাটি হতে পারে বলে জানান তিনি।

    এ বিষয়ে নোবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর বলেন,সরকারী নির্দেশনা ব্যাতিত কোনোভাবেই বিশ্ববিদ্যালয় খোলা সম্ভব নয়।
    আগামী ৬ জুন অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে অনলাইন পরীক্ষার বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

    আরও খবর

    Sponsered content