• Uncategorized

    নীরব নোবিপ্রবিতে নয়নাভিরাম কৃষ্ণচূড়ার মেলা

      প্রতিনিধি ৭ মে ২০২১ , ৪:৪৮:৪৯ প্রিন্ট সংস্করণ

    মো.রিয়াদুল ইসলাম

    আপনি কি সাংবাদিক? বাজেটের মাঝে প্রফেশনাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল বানাতে চাচ্ছেন? তাহলে Coder Boss হতে পারে আপনার গর্বিত সহযোগী। বাজেটের মাঝেই প্রফেশনাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল বানাতে যোগাযোগ করুন Coder Boss এর সাথে।   Coder Boss এর ফেসবুক পেইজ লিংকঃ https://facebook.com/CoderBossBD

    করোনা মহামারীতে চারিদিকে বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল। বাড়ছে আক্রান্ত ও শনাক্তের সংখ্যা।মহামারীর এই প্রকোপ ছাপ ফেলেনি প্রকৃতিতে।ঋতু পরিবর্তণের সাথে সাথে প্রতিনিয়ত প্রকৃতি সেজে উঠছে নতুনভাবে।গ্রীষ্মের তাপদাহের মাঝে কৃষ্ণচূড়ার সাজে সেজেছে প্রকৃতি।

    প্রকৃতির এই বিচিত্র রূপের দেখা মেলে
    নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(নোবিপ্রবি) ক্যাম্পাসে।
    কৃষ্ণচূড়ায় সাজে নতুনত্ব পেয়েছে ১০১ একরের ক্যাম্পাস ।বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের পাশে লাল কৃষ্ণচূড়া ফুলের দেখা মেলে।

    গ্রীষ্মের সূচনালগ্নেই ক্যাম্পাস যেন ছেয়ে গেছে লালে। প্রখর রোদের উত্তাপের মাঝে প্রশান্তি জোগায় ঝলমলে রঙের দৃশ্য।মাঝারি আকারের ঢালগুলো নুয়ে আছে। গাঢ় লাল, কমলা, হালকা হলুদ রঙের ফুলে ভরে গেছে প্রতিটি শাখা।এর ফাঁকে পাখিরা ছুটে বেড়ায়।

    হালকা বাতাসে যখন কৃষ্ণচূড়ার ডালগুলো দোল খায় হৃদয় ও মনে মনে দোলা দিয়ে যায়। কৃষ্ণচূড়ার ঝরে পড়া পাপড়িতে সবুজ ঘাসের উপর সৃষ্টি রক্তলাল পুষ্পশয্যায় চোখ জুড়িয়ে যায়।এই দৃশ্যে দেখে মনে পড়ে যায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা লাইন ‘গন্ধে উদাস হওয়ার মতো উড়ে/তোমার উত্তরী কর্ণে তোমার কৃষ্ণচূড়ার মঞ্জুরী।’

    কৃষ্ণচূড়ার বৈজ্ঞানিক নাম ডেলোনিক্স রেজিয়া। এটি ফাবাসিয়ি পরিবারের অন্তর্গত। একে গুলমোহর নামেও ডাকা হয়। ফুলের ব্যাস ২-৩ ইঞ্চি। পাপড়ি প্রায় ৮ সেন্টিমিটারের মতো লম্বা হয়ে থাকে। কৃষ্ণচূড়া জটিল পত্রবিশিষ্ট। প্রতিটি পাতা ৩০ থেকে ৫০ সেন্টিমিটার লম্বা। ২০ থেকে ৪০টি উপপত্র বিশিষ্ট।

    ফুলের বহিরাবরণ সবুজ। ভেতরের অংশ রক্তিম। কৃষ্ণচূড়ার ফুলগুলো বড় চারটি পাপড়িযুক্ত। বাংলাদেশে কৃষ্ণচূড়া ফোটে এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত। প্রথম মুকুল ধরার কিছুদিনের মধ্যেই পুরো গাছ ফুলে ফুলে ভরে যায়। ফুলের প্রধান বৈশিষ্ট্য এর উজ্জ্বল রঙ। ফুলের পাপড়ির রঙ গাঢ় লাল, লাল, কমলা, হলুদ, হালকা হলুদ হয়ে থাকে।

    কৃষ্ণচূড়ার নয়নাভিরাম দৃশ্য আকৃষ্ট করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী সকলকে।ছুটে আসেন দর্শনার্থীরাও।করোনার দীর্ঘ ছুটিতে ভাটা পড়েছে রক্তিম কৃষ্ণচূড়ার দৃশ্য উপভোগে।ব্যস্ত ক্যাম্পাস আজ নীরব।নেই কারো আনাগোনা।নীরবেই দ্যুতি ছড়াচ্ছে কৃষ্ণচূড়া।

    ক্যাম্পাসের নয়নাভিরাম কৃষ্ণচূড়ার স্মৃতিচারণ করে শিক্ষা প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন,গ্রীষ্মের দুপুরে স্বস্তি মিলে লাল কৃষ্ণচূড়ার ছায়ায়।কৃষ্ণচূড়ায় নতুনরূপ পায় প্রিয় ক্যাম্পাস। দেখলে মনে হয় যেন রঙের মেলা।নয়নাভিরাম এই দৃশ্যে উপভোগে থাকে সৌন্দর্যপিপাসুদের ভীড়। ক্যাম্পাসের নয়নাভিরাম কৃষ্ণচূড়ার ছবি দেখলে স্মৃতিতে ভেসে উঠে অতীতের দিনগুলো।”

    অনুজীব বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ফারহানা মনসুর প্রিয়া বলেন,”প্রিয় ক্যাম্পাস সেজেছে কৃষ্ণচূড়ার সাজে।
    কৃষ্ণচূড়া ফুলের অগ্নিরঙে নতুনত্ব পেয়েছে প্রিয় ক্যাম্পাস। ঝলমলে অগ্নি রঙের মাঝে প্রশান্তির খোঁজে প্রতিবার সৌন্দর্যপিপাসুরা ভীড় জমান।করোনা মহামারীর দীর্ঘ বন্ধে এবার তা অনেকটাই ম্লান। নীরবতার মাঝে দ্যুতি ছড়াচ্ছে কৃষ্ণচূড়া। রক্তিম রঙের হৃদয় কাড়ানো দৃশ্য এখন স্মৃতি।”

    আরও খবর

    Sponsered content