• Uncategorized

    হতাশায় নোবিপ্রবি শিক্ষার্থী রাকিনের আত্মহত্যা

      প্রতিনিধি ৩১ মে ২০২১ , ১০:২৬:২৬ প্রিন্ট সংস্করণ

    নোবিপ্রবি প্রতিনিধি

    আপনি কি সাংবাদিক? বাজেটের মাঝে প্রফেশনাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল বানাতে চাচ্ছেন? তাহলে Coder Boss হতে পারে আপনার গর্বিত সহযোগী। বাজেটের মাঝেই প্রফেশনাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল বানাতে যোগাযোগ করুন Coder Boss এর সাথে।   Coder Boss এর ফেসবুক পেইজ লিংকঃ https://facebook.com/CoderBossBD

    দীর্ঘদিন হতাশায় ভুগতে থাকা নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) শিক্ষার্থী ফারহানুজ্জামান রাকিন গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। রাকিন কৃষি বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।এর আগে সে নিখোজ ছিলো প্রায় এক সপ্তাহ।

    জানা গেছে,আজ (৩১ মে) বেলা ১১টার দিকে রাকিন ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার নিজ বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। রাকিনের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের কচুয়া থানার শ্রীরামপুর গ্রামে। তার বাবা প্রবাসী। মা এবং বোনের সঙ্গে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় থাকতেন রাকিন। তবে সে কী কারণে আত্মহত্যা করেছেন তার কারণ পরিবার জানাতে পারেননি।

    দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপ থেকে তার এই আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত বলে ধারণা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠীদের।

    সহপাঠীদের থেকে জানা যায়, নিজ বাসার গোসল খানায় ডিশ লাইনের তার পেচিয়ে আত্মহত্যা করেন রাকিন। পরবর্তীতে পুলিশের উপস্থিতিতে সেখান থেকে উদ্ধার করে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

    আরও জানা যায়, দীর্ঘদিন পারিবারিক নানা সমস্যার সম্মুখীন ছিলেন এই শিক্ষার্থী। তবে ক্যাম্পাস খোলা থাকাকালীন সময়ে পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যা চলাকালে পরিবারের সাথে যোগাযোগ না রেখে বন্ধু বান্ধবের সঙ্গে মিশে সময় কাটিয়ে দিতেন। এমনকি গত বছর লকডাউন শিথিল করা হলে নোয়াখালী এসে বহুদিন বন্ধু বান্ধবের সাথে থেকে গেছেন।

    সহপাঠীদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় সার্বক্ষণিক পরিবারের সঙ্গে থেকে তার ওই সব সমস্যা চরমে পৌঁছে যায়। এজন্য বেশ কিছুদিন ধরে চরম বিষন্নতায়ও ভুগছিলেন। এর মাঝে একবার তার নিখোঁজ হওয়ার গুঞ্জন উঠলেও অল্পকিছুদিন পরেই তাকে ফিরে পাওয়া যায়। কিছুদিন যেতেই এবার আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে ফারহানুজ্জামান রাকিন।

    এই মৃত্যুতে তার সহপাঠীরাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায় থেকে শোক প্রকাশ করেছেন।

    এ বিষয়ে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) প্রক্টর অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর বলেন, আমরা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। ছেলেটা এর আগেও সাতদিন নিখোঁজ ছিল। আমরা তাকে অনেক খোঁজাখুঁজির পর পেয়েছিলাম। তারপর তার পরিবারের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলাম।

    তিনি বলেন, এমন মৃত্যু মর্মান্তিক ও ভীষণ বেদনাদায়ক। আমাদের মেধাবী ছাত্রদের এখন বেঁচে থাকার সময়। এটি সত্যিই অনেক দুঃখজনক।

    আরও খবর

    Sponsered content